কা/রাগা/রে চালু হলো ‘সে””*ক্স রুম’, ঘ/..

Image
    কারাগারে চালু হলো ‘সাক্ষাৎ কক্ষ’, বন্দিদের স্বজনদের সঙ্গে একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা নতুন কিছু নয়। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিছু কারাগারে দাম্পত্য সাক্ষাৎ বা ‘conjugal visit’-এর বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে নির্দিষ্ট নিয়ম ও অনুমতির ভিত্তিতে বিবাহিত বন্দিরা তাদের স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে কিছুটা ব্যক্তিগত সময় কাটানোর সুযোগ পান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে—“কারাগারে চালু হলো সেক্স রুম, ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটানোর সুযোগ পেলেন বন্দিরা।” চটকদার এই শিরোনামটি দ্রুত মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে। তবে ‘সেক্স রুম’ শব্দটি অনেক ক্ষেত্রে অতিরঞ্জিতভাবে ব্যবহার করা হয়; বাস্তবে এসব ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ও নিয়ম দেশভেদে আলাদা। কীভাবে এই ব্যবস্থা কাজ করে? যেসব দেশে দাম্পত্য সাক্ষাতের সুযোগ রয়েছে, সেখানে সাধারণত এটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে না। বন্দির আচরণ, অপরাধের ধরন, কারাবিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতির মতো বিষয় বিবেচনা করা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আলাদা সাক্ষাৎ কক্ষ বা পারিবারিক সাক্ষাৎ সুবিধা দেওয়া ...

মারবা ঠিক আছে, শুধু দুই বাচ্চারে ঘুম পাড়িয়ে আসি, মৃ/ত্যুর আগে মুক্তা..

 



স্বামীর বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের এক ভয়াবহ অভিযোগ তুলেছেন এক গৃহবধূ। ভুক্তভোগীর দাবি, তাকে জোরপূর্বক বিভিন্ন ওষুধ খাইয়ে মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ করে রাখা হতো এবং পরবর্তী সময়ে তার কক্ষে পরপুরুষ পাঠিয়ে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার চেষ্টা করা হতো।



ভুক্তভোগী ওই নারী সাংবাদিকদের জানান, পারিবারিক জীবন শুরুর কিছুদিনের মধ্যেই স্বামীর অস্বাভাবিক আচরণ প্রকাশ পেতে শুরু করে। তাকে না জানিয়ে জোরপূর্বক বিভিন্ন ধরনের তরল ও ট্যাবলেট জাতীয় ওষুধ খাওয়ানো হতো। ওই ওষুধ সেবন করার পর তিনি নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলতেন। পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন, এই অবস্থায় তার স্বামী নিজের কক্ষে অন্য পুরুষ পাঠিয়ে দিতেন।
















ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বাধা দিতে গেলে তাকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে রাখার চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত নিজের নিরাপত্তা ও সুবিচারের আশায় তিনি বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছেন।
















এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইপঁচিশ বছর বয়সী মুক্তা ইসলাম মাওয়ার পায়ে শিকল। বাসার খাটের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে তাঁকে। ওই তরুণীকে সহিংস শাস্তি দিতে এমন অমানবিক আয়োজন তাঁর স্বামী সোহেল শিকদারের (৩১)। কয়েক সেকেন্ড পরপর তাঁকে চামড়ার বেল্ট দিয়ে সজোরে পেটানো হচ্ছিল। ব্যথায় কুঁকড়ে যাচ্ছিল মুক্তার চোখ-মুখ। শরীরজুড়ে রক্তের ছোপ ছোপ দাগ। মায়ের ওপর এমন বর্বর নির্যাতনের সময় পাশের রুমে কাঁদছিল তাঁর দুই সন্তান সাফওয়ান (৫) ও তাসফিয়া (৪)। দুই শিশুর কান্না কী করে সহ্য করবেন মা! তখন মুক্তা তাঁর স্বামীকে বলেন, ‘আমাকে মারবা ঠিক আছে, শুধু দুই বাচ্চারে ঘুম পাড়িয়ে আসি।’ সন্তানের কান্না ও স্ত্রীর অশ্রুসজলেও মন গলেনি সোহেলের।রাজধানীর খিলক্ষেতের ৫ নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে স্ত্রীকে নির্মম নির্যাতন চালিয়ে এর ভিডিও করেন সোহেল শিকদার। সেই ভিডিও মুক্তার ভাইয়ের মোবাইল ফোনে পাঠিয়ে সোহেল লেখেন, ‘তোমার বোনকে নিয়ে যাও।’এরপর খিলক্ষেতের বাসা থেকে গত বৃহস্পতিবার মুক্তাকে নিয়ে যান স্বজনরা। তবে সেটি তাঁর নিথর দেহ! সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিলেন মুক্তা। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, সোহেল নির্যাতনের পর হত্যা করে স্ত্রীকে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করছেন। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ ও যৌতুকের জন্য কয়েক মাস ধরে মুক্তাকে নির্যাতন করে আসছিলেন সোহেল।৩ মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মুক্তাকে পেটানোর সময় সোহেল বলছিলেন, ‘কথা ক, কথা ক, তোরে আজ পিটাইয়া মাইরা ফালামু। তোকে আমি ছাড়ব না। তোকে আজ ছাড়ব কি ছাড়ব না, এটা আমার বিবেচনা। একবার শুধু কথা ক।’ বেল্ট দিয়ে নির্দয়ভাবে পেটানোর পর তাঁর শরীরে রক্তাক্ত কালচে জখম হয়ে যায়। এক পর্যায়ে মুক্তা বলছিলেন, ‘আমি কিছু করিনি। আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।’ এ কথা বলার পর তাঁকে আরও পেটানো হয়। তখন মুক্তা বলছিলেন, ‘আমাকে আর মাইরো না, ও আল্লাগো।’ নির্যাতনের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে এক পর্যায়ে চোখ বন্ধ করে অনুচ্চ স্বরে কিছু একটা বলছিলেন তিনি। তখনও তাঁর শরীরে বেল্ট দিয়ে আঘাত চলছিল।মুক্তার লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গত শুক্রবার খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন তাঁর ছোট ভাই তানভীর রহমান। এজাহারে বলা হয়, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে এমন সন্দেহে মুক্তার ওপর নির্যাতন করে আসছিলেন সোহেল শিকদার। সর্বশেষ ৩০ আগস্ট মুক্তাকে বেল্ট দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করা হয়। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওই দিন মুক্তার ওপর নির্যাতনের ভিডিও তার এক স্বজনকে পাঠান সোহেল। তখন হুমকি দেন, মুক্তাকে মেরে ফেলা হবে। পরে গত বৃহস্পতিবার মুক্তার লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়ার খবর পান স্বজনরা।তানভীর রহমান সমকালকে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই তাঁর বোনের লাশ সিলিং ফ্যান থেকে নামানো হয়েছে। কয়েক মাস আগে আমার কাছে তিন লাখ টাকা চেয়েছিলেন সোহেল। সেই টাকা দিতে দেরি হওয়ায় বোনকে মারধর করা হতো।তিনি আরও বলেন, মাকে হারিয়ে তাঁর দুই বাচ্চা সারা দিন কান্নাকাটি করছে। বারবার বলছে, বাবা মাকে মেরে ঝুলিয়ে রেখেছে। এই ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।তানভীর বলেন, আমরা চার ভাই-বোন। বাবা ছোটবেলায় মারা যান। মা আমাদের বড় করেছেন। অনেক নির্যাতনের পর মায়ের কষ্টের কথা চিন্তা করে আমার বোন অনেক কিছু গোপন করতেন। নির্যাতন সহ্য করার পরও মারা যাওয়ার আগে পুলিশের কাছে যায়নি।


পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মুক্তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জে। একই এলাকার সোহেল শিকদারের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ের পর থেকে মুক্তা খিলক্ষেতে স্বামীর সঙ্গে থাকেন। সোহেল প্রথমে খিলক্ষেত এলাকার মুদি দোকানি ছিলেন। পরে তিনি এম্ব্রয়ডারি ব্যবসায় জড়ান। সেখানেও ভালো করতে পারেননি। এরপর স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি শুরু করেন। শ্বশুরবাড়ি থেকে যৌতুক চাওয়া শুরু করেন।


খিলক্ষেত থানার ওসি মুহাম্মাদ সোহরাব আল হোসাইন সমকালকে বলেন, মুক্তাকে পেটানোর যে ভিডিওটি পাওয়া গেছে, সেটি তাঁর মৃত্যুর তিন দিন আগের। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি হত্যা, না আত্মহত্যা। প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


এদিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর কল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে স্বামীর হাতে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে কল এসেছিল ১৮ হাজার ৬২৬টি। ২০২৪ সালে অভিযোগ আসে ২৩ হাজার ৩৩টি। এর মধ্যে স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ ছিল ১১ হাজার ৪১৮টি। ২০২৩ সালে ২৬ হাজার ৭৯৮টি কলের মধ্যে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল ৯ হাজার ৯১৩টি। ২০২২ সালে ২১ হাজার ৭১২টি কলের মধ্যে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল ৬ হাজার ৫৬০টি। ২০২১ সালে ১২ হাজার ১৬৯টি অভিযোগের মধ্যে স্বামীর বিরুদ্ধে ছিল ৩ হাজার ৩৪৮টি।তিমধ্যেই ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Comments

Popular posts from this blog

অল্প সময়ের শারীরিক আনন্দের জন্য কি অবৈধ মেলামেশায় লিপ্ত হন?..

কা/রাগা/রে চালু হলো ‘সে””*ক্স রুম’, ঘ/..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী…